পুরানা পল্টন, ঢাকা | | বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর

মোহাম্মদ আবু মুসা/অধ্যাপক অ্যাডভোকেট আবদুল আউয়াল/মোঃ দেলোয়ার হোসেনঃ

প্রকাশিত : Sep 30, 2026 ইং
ad728

চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটতরাজ, গুম-খুনসহ সামাজিক অনাচার বাড়লেও এসব বন্ধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর)।তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মানুষ মুক্তির প্রত্যাশা করেছে। 


কিন্তু প্রচলিত নীতিতে দেশ পরিচালিত হওয়ায় জনগণের ভাগ্যের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন হয়নি। এভাবে চলতে থাকলে স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী কিংবা শতবর্ষ উদযাপন করলেও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না।মঙ্গলবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চরমোনাই পীর বলেন, বিভিন্ন দলকে জনগণ ক্ষমতায় বসিয়ে পরীক্ষা করেছে।


কিন্তু বিদ্যমান নীতির মাধ্যমে কেউই সমাজ ও রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন করতে পারেনি। নির্বাচনী ইশতেহার ভুলে গিয়ে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নীতির প্রশ্নে কখনো আপস করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। মানুষের প্রত্যাশা, ইসলামী আন্দোলনের হাত ধরেই দেশে নীতির পরিবর্তন আসবে।

 

সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, দলটির শীর্ষ নেতারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৫ আগস্টের পর রাজনীতিতে চাঁদাবাজি ও ধোঁকাবাজির ধারা থাকবে না বলে তারা আশা করেছিলেন। তবে বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না।তিনি বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপি সরকার এখনো তালবাহানা করছে। এভাবে চলতে থাকলে জনবিস্ফোরণ ঘটতে সময় লাগবে না।

 

গাজী আতাউর রহমান বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো গোপন এজেন্ডা নেই। দলটি প্রকাশ্যেই জানিয়েছে, তারা দেশে ইসলামী শরিয়াহ বাস্তবায়ন করতে চায়।সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ নেতাকর্মীদের প্রতিটি ওয়ার্ডে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শরিয়াহর পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে হবে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ওয়ার্ডগুলো থেকেই শরিয়াহর বিজয় শুরু হবে।

 

ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, ভিশন ও মিশন নির্ধারণ করেই তারা এগিয়ে যাচ্ছেন। জনগণ তাদের নির্বাচিত করলে ঢাকা মহানগরকে স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ,


ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি জি এম রুহুল আমীন, আলহাজ্ব এম এইচ মোস্তফা, আলহাজ্ব আবদুর রাজ্জাক, মহানগর উত্তর সহসভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম, অধ্যক্ষ জিল্লুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল ইসলাম নাঈম ও মাওলানা ফরিদুল ইসলামসহ অন্যরা।



নিউজটি আপডেট করেছেন : মোহাম্মদ আবু মুসা/অধ্যাপক অ্যাডভোকেট আবদুল আউয়াল/মোঃ দেলোয়ার হোসেনঃ

কমেন্ট বক্স
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক আমার প্রেরণা ডট কম
সকল কারিগরী সহযোগিতায় SoftioLab