রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের ব্যবস্থাপনায় কুমিল্লা
সদর উপজেলার আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বৃক্ষরোপন, শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজবৃক্ষ
বিতরণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের সভাপতি ও কুমিল্লা
শিক্ষাবোর্ডের সাবেক বিদ্যালয় পরিদর্শক রোটা. প্রফেসর মো: আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে
আলোচনা সভায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের
ফাউন্ডার ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান রোটা. পিপি প্রফেসর মো. জামাল
নাছের।
রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের সেক্রেটারি ও কুমিল্লা
আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন
আছিয়া গনি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবেক প্রধান শিক্ষক ও বর্তমান সভাপতি
কুশিয়ারা বেগম, রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রোটা. মনিরুজ্জামান,
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রোটা. রিতা চক্রবর্তী,
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আছিয়া গনি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মনিরুল
আলম বাবুল।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা
রয়েলের সহ সভাপতি ও প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান রোটা. হাবিবুর রহমান রাসেল। প্রফেসর মো. জামাল
নাছের দৈনিক আমার প্রেরণাকে বলেন, পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা
এবং একটি সবুজ, বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বৃক্ষের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না; এটি আমাদের পরিবেশের
ভারসাম্য রক্ষা করে, মাটি ক্ষয় রোধ করে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে এবং
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত
করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।প্রফেসর মো: আজহারুল ইসলাম দৈনিক আমার প্রেরণাকে
বলেন, আজ যারা চারা গ্রহণ করবেন, তারা শুধু গাছ লাগিয়েই দায়িত্ব শেষ করবেন না; বরং
নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে গাছগুলোকে বড় করে তুলবেন। একটি গাছ রোপণ মানে আগামী দিনের
জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণ।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটন দৈনিক আমার প্রেরণাকে বলেন,
আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগাই এবং অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করি। আমাদের সম্মিলিত
প্রচেষ্টায় সবুজে ঘেরা, নির্মল ও সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।আলোচনা সভা শেষে আছিয়া
গনি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কয়েকটি বৃক্ষরোপন করা হয় এবং শতাধিক শিক্ষার্থীদের
মাঝে আম, জাম, লিচু, জামম্বুরা, পেয়ারা, লেবু গাছ বিতরণ করা হয়।