পুরানা পল্টন, ঢাকা | | বঙ্গাব্দ

অগ্রণী হাউজিংয়ের এমডি’র অণ্ডকোষ চেপে ধরে চেকে সই নেওয়া সেই লিটু কখনই যুবদলের পদে ছিল না

নজরুল ইসলাম ভূইঁয়া বাহারঃ

প্রকাশিত : Jul 5, 2026 ইং
ad728

বরিশাল শহরের অগ্রণী হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনার পরিচালকের (এমডি) অন্ডকোষ চেপে ধরে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু যুবদলের নেতা বলে অনেকে দাবি করেন।


তবে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্না জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত জনৈক মোস্তাফিজুর রহমান লিটু বরিশাল মহানগর যুবদলের কোনো পদেই কখনো ছিলেন না। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে একথা জানান যুবদল সভাপতি।

barisal-2মোনায়েম মুন্না বলেন, বরিশাল সদরের অগ্রণী হাউজিংয়ের এমডির কাছ থেকে চেক সই করে নেওয়ার সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে বরিশাল মহানগর যুবদলকে জড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মহল মিথ্যা অপপ্রচার করছে। আমি যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি।


ঘটনার সঙ্গে জড়িত জনৈক মোস্তাফিজুর রহমান লিটু বরিশাল মহানগর যুবদলের কোনো পর্যায়ের পদ পদবীতে কখনোই ছিল না।গত ২৭ জুন সন্ধ্যার পর বরিশাল সদর রোডে অগ্রণী হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারের অণ্ডকোষ চেপে ধরে চেক ও স্টাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনা ঘটে। 

অণ্ডকোষ চেপে ধরে চেকে সই নেওয়া লিটু যুবদলের কেউ না: সভাপতি

এক সপ্তাহ পর গত শনিবার রাতে সামাজিক মাধ্যমে সিসি ক্যামেরার ভিডিওচিত্র ছেড়ে দেন ঘটনার শিকার আব্দুল আজিজ। কিছু সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়।ভিডিওতে দেখা গেছে, আব্দুল আজিজের কক্ষে চারজন যুবক ঢুকে পড়েন। তাদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু নামে এক যুবক আজিজকে মারধর করেন। 


একপর্যায়ে তার অণ্ডকোষ চেপে ধরে দুটি চেক ও একটি সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। মারধরের সময়ে আজিজ ‘বাচ্চু-বাচ্চু’ বলে একজনকে ডাকাডাকি করেন। ডাক শুনে আরেক ব্যক্তি কক্ষের মধ্যে ঢুকলে লিটুর সঙ্গীরা ধাক্কাধাক্কি করে তাকে বের করে দেন। পরে চেক ও স্টাম্প হস্তান্তরের ছবি তোলা হয়।

barisal-1ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ জানান, লিটু সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দুটি চেকে তার সই নেন। একই সঙ্গে স্ট্যাম্পেও সই নেন। বারবার নিবৃত করার চেষ্টা করা হলেও লিটু অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি দেয়। সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে লিটুকে যুবদল নেতা বলে দাবি করেন।


তবে সেই দাবি অস্বীকার করে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্না জানান, লিটু বরিশাল মহানগর যুবদলের কোনো পদে ছিলেন না।মুন্না বলেন, আমি বরিশাল মহানগরীর পুলিশ প্রশাসনকে অভিযুক্ত এই ব্যক্তিকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার অনুরোধ জানাচ্ছি।




নিউজটি আপডেট করেছেন : নজরুল ইসলাম ভূইঁয়া বাহারঃ

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

নজরুল ইসলাম ভূইঁয়া বাহারঃ

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক আমার প্রেরণা ডট কম
সকল কারিগরী সহযোগিতায় SoftioLab