পুরানা পল্টন, ঢাকা | | বঙ্গাব্দ

খাদ্যতালিকা থেকে অতিরিক্ত চিনি বাদ দিন

author
Reporter

প্রকাশিত : Jun 17, 2026 ইং
ad728

ওজন কমাতে কিংবা ফিট থাকতে অনেকেই খাবারের তালিকা থেকে চিনি বাদ দেওয়ার কথা ভাবেন। এতে সফল হলে শরীর মন দুটির জন্যই ভালো।

 চিনি খেলে কী হয়

  • আমরা যখন মিষ্টি খাই, তখন আমাদের মগজে বয়ে যায় ডোপামিনের ধারা। এটি মানুষকে আরামদায়ক অনুভূতি দেয় এবং মগজের রিওয়ার্ড সিস্টেমকে সক্রিয় করে তোলে। এ কারণেই মিষ্টি খাওয়ার পর আমাদের এত ভালো লাগে।
  • ডোপামিনের কারণে আমাদের মিষ্টি খাওয়ার আগ্রহ বাড়ে। এই অনুভূতি আরও চিনি খেতে তাগাদা দেয়।
  • খাদ্যতালিকা থেকে অতিরিক্ত চিনি বাদ দিন
  • আমরা যত বেশি চিনি খাই, ডোপামিনের এই নিঃসরণের প্রতি তত বেশি নির্ভরতা তৈরি হয়। একটা সময় দেখা যায়, অল্প চিনি বা চিনিজাতীয় খাবারে তৃপ্তি আসে না, অনেকখানি খেয়ে ফেলার প্রয়োজন পড়ে। এভাবেই তৈরি হয় আসক্তি।
    দেয়।
  • চিনি ছেড়ে দেওয়ার প্রথম সপ্তাহে হুটহাট আপনার মেজাজ খিটখিটে হয়ে উঠতে পারে। সামান্য কারণেই নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারেন।

 

হুট করে চিনি খাওয়া বন্ধ করে দিলে...

ডোপামিনের ওপর নির্ভরতা সত্ত্বেও কেউ যদি অতিরিক্ত চিনি খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেন, তখন মগজে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই পরিস্থিতিকে বলা হয়সুগার উইথড্রয়াল এতে তৈরি হয় ডোপামিনের ঘাটতি। কিছুই যেন ভালো লাগে না তখন। মেজাজ হয়ে ওঠে খিটখিটে, দেখা দিতে পারে শারীরিক মানসিক সমস্যাও।


প্রাথমিক লক্ষণ

  • চিনি ছেড়ে দেওয়ার প্রথম সপ্তাহে হুটহাট আপনার মেজাজ খিটখিটে হয়ে উঠতে পারে। সামান্য কারণেই নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারেন।
  • শরীর-মন জুড়ে দেখা দেয় তীব্র অবসাদ।
  • মগজে চিনির সংকট দেখা দিতেই তীব্র মাথাব্যথাও অস্বাভাবিক নয়।
  • যে কাজটি করতে খুব ভালো লাগত, এতে মনোযোগ দিতে কষ্ট হতে পারে।
  • মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার জন্য প্রবল তাড়না অনুভব করতে পারেন।

এই অনুভূতিগুলো একেবারেই সাময়িক। এক সপ্তাহ পরই এ লক্ষণগুলো কমে আসে। মগজ ধীরে ধীরে চিনি ছাড়া বা কম ডোপামিনের প্রবাহের সঙ্গে মানিয়ে নেয়।

 সুফল

  • প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ওঠার পর চিনি বন্ধের সুফলগুলো চোখে পড়বে।
  • রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
  • মানসিক ও শারীরিক শক্তি সারাদিন ধরে একই ধরনের থাকে। দুপুরের দিকে যে ক্লান্তি বা ঝিমুনি আসত, তা আর হয় না।

  • মেজাজ সারাদিন স্থিতিশীল ও শান্ত থাকে। স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়।
  • দীর্ঘ মেয়াদে দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ও অবসাদের ঝুঁকি কমে।
  • চিন্তাভাবনা আরও স্পষ্ট এবং ক্ষুরধার হয়। তথ্যসূত্র: ভেরি ওয়েল মাইন্ড

নিউজটি আপডেট করেছেন : Reporter

কমেন্ট বক্স
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক আমার প্রেরণা ডট কম
সকল কারিগরী সহযোগিতায় SoftioLab