প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 6, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jun 29, 2026 ইং
পুষ্টিগুণে ভরপুর কাঁঠালের বীজ, কী বলছেন পুষ্টিবিদরা

গ্রীষ্মকাল এলেই বাজারে দেখা মেলে কাঁঠালের। সুস্বাদু
এই ফল খাওয়ার পর অধিকাংশ মানুষই এর বীজ ফেলে দেন। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন,
কাঁঠালের বীজও পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখতে পারে।গ্রীষ্মকাল
মানেই রসালো ও সুস্বাদু কাঁঠালের মৌসুম। ফলটি খাওয়ার পর অনেকেই এর বীজ
ফেলে দেন। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, কাঁঠালের বীজও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং এটি
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা
জানান, কাঁঠালের বীজে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ শর্করা, খাদ্যআঁশ, উদ্ভিজ্জ
প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়ক।পুষ্টিবিদদের
তথ্য অনুযায়ী, কাঁঠালের বীজে থাকা খাদ্যআঁশ হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে
সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি
এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি-র্যাডিকেলের
প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে।
গবেষণায়
দেখা গেছে, কাঁঠালের বীজে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক
ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এর উদ্ভিজ্জ প্রোটিন শরীরের টিস্যু গঠন ও
মেরামতে সহায়ক। কিছু গবেষণায় কাঁঠালের বীজের নির্যাসে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল
এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের
পরামর্শ অনুযায়ী, কাঁঠালের বীজ সেদ্ধ, ভাজা কিংবা বিভিন্ন সবজি, তরকারি ও
ভর্তার সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। তবে বীজ অবশ্যই ভালোভাবে সিদ্ধ
বা রান্না করে খাওয়া উচিত।
তবে
পুষ্টিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, কোনো একক খাদ্যকে রোগ নিরাময়ের উপায় হিসেবে
দেখা ঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই কাঁঠালের বীজ
খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।তথ্যসূত্র: ইউএসডিএ ফুডডাটা সেন্ট্রাল, পাবমেড, এফএও এবং সংশ্লিষ্ট পুষ্টিবিষয়ক গবেষণা প্রতিবেদন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক আমার প্রেরণা ডট কম