চিনাবাদাম
পুষ্টির এক সমৃদ্ধ উৎস। এতে রয়েছে ফাইবার, বি ভিটামিন, ভিটামিন ই এবং
আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থ। এছাড়াও এতে
প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা
করে এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।রোজ অল্প পরিমাণে চিনাবাম খেলে যেসব উপকারিতা মেলে-
হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী
গবেষণায়
দেখা গেছে, হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য দামি বাদামের মতোই চিনাবাদাম
উপকারী। এটি মনোস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, সেইসাথে
ফাইবার এবং প্ল্যান্ট স্টেরলের একটি ভালো উৎস। এই স্বাস্থ্যকর উপাদানগুলো
অস্বাস্থ্যকর এলডিএল কোলেস্টেরল
এবং রক্তচাপের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের
ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এসব উপাদান রক্ত জমাট বাঁধাও প্রতিরোধ করে, যা
হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের কারণ হতে পারে। এছাড়াও চিনাবাদাম শরীরের
প্রদাহ কমায়, যা হৃদরোগের সাথে সম্পর্কিত।
ত্বকের যত্ন নেয়
ত্বকের
স্বাস্থ্যের জন্য চিনাবাদাম খুবই উপকারী। এটি ত্বককে গভীর থেকে আর্দ্রতা
জোগায়, কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়। সেই সঙ্গে ব্রণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
চিনাবাদামে থাকা নিয়াসিন ও ফোলেট মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করে। নিয়াসিন স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখতেও ভূমিকা রাখে।
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়
বাদাম
একটি লো-গ্লাইসেমিক খাবার, যার অর্থ হলো এটি খেলে আপনার রক্তে শর্করার
মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় না। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীদের টাইপ ২
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বাদাম খেলে এই রোগের ঝুঁকি কমতে
পারে।
অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে বাঁচায়
চিনাবাদামে পলিফেনল ও ভিটামিনই-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহের হাত থেকে রক্ষা করে।
পিত্তথলির স্বাস্থ্য
নিয়মিত
বাদাম খেলে পিত্তথলি সুরক্ষিত থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা
নিয়মিত বাদাম খেতেন,তাদের পিত্তথলির অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হওয়ার ঝুঁকি
তাদের চেয়ে কম ছিল যারা বাদাম খেতেন না। গবেষণায় আরও দেখা গেছে , যেসব
পুরুষ প্রায়শই বাদাম খান, তাদের পিত্তপাথরের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কম।
স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস
চিনাবাদাম পুষ্টিতে ভরপুর একটি খাবার। এতে বেশ স্বাস্থ্যকরও । নিয়মিত এই বাদাম খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সূত্র: এশিয়ান নেট, ওয়েব এমডি