
মন্ত্রী বলেন, কলাবাগান, কল্যাণপুরসহ যেসব জায়গায় কাউন্টার, এসি কাউন্টার বা অনেকগুলো বেসরকারি বাসের কাউন্টারকে কেন্দ্র করে অস্থায়ী টার্মিনালের মতো হয়েছে, রাস্তার পাশে বাস দাঁড়িয়ে থাকে, তারা কাউন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেবে। আর অবশ্যই কাউন্টারের সামনে বাস এনে যাত্রী উঠাতে পারবে না, আমরা মোটামুটি এই পদক্ষেপ নিয়েছি। আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে রাজধানী ঢাকা থেকে চারটি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে তিনি এ কথা জানান।তিনি জানান, গাবতলী বাস টার্মিনাল হেমায়েতপুরে, মহাখালী টার্মিনাল উত্তরা ও আব্দুল্লাহপুরের কাছাকাছি স্থানে, সায়েদাবাদ টার্মিনাল কাঁচপুরে এবং ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, কলাবাগান, কল্যাণপুরসহ যেসব জায়গায় কাউন্টার, এসি কাউন্টার বা অনেকগুলো বেসরকারি বাসের কাউন্টারকে কেন্দ্র করে অস্থায়ী টার্মিনালের মতো হয়েছে, রাস্তার পাশে বাস দাঁড়িয়ে থাকে, তারা কাউন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেবে। আর অবশ্যই কাউন্টারের সামনে বাস এনে যাত্রী উঠাতে পারবে না, আমরা মোটামুটি এই পদক্ষেপ নিয়েছি।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে সড়ক মন্ত্রী আরো জানান, পদ্মা সেতুর পিলারের কাছে মাটি অপসারণের বিষয়ে তিনি নিজেও খোঁজ নিয়েছেন। সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং সেতু প্রকল্পের সাথে জড়িত বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলা হয়েছে।তাদের মতামত অনুযায়ী, ওই মাটি অপসারণে সেতুর কোনো ঝুঁকি নেই।
বরং ফিজিবিলিটি স্টাডি অনুযায়ী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, নাব্যতা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং পানি চলাচলের সুবিধার জন্য তা অপসারণ করা প্রয়োজন।বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে সংলাপে সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল সঞ্চালনা করেন।